Types of Face Powder – ফেইস পাউডারের রকমভেদ | কোনটা আপনার জন্য পারফেক্ট

Types of Face Powder

বেসিক মেকআপ আইটেমে ফেস পাউডার থাকতেই হবে, মেকআপ যতই হালকা হোক না কেন? তবে ফেস পাউডার ত্বকে ঠিকমতো সেট না হলে ভেসে থাকে। ফলে পুরো মেকআপ দেখতে বেখাপ্পা মনে হয়। তাই  আমরা যে কোনো ফেস পাউডার ব্যবহার করলে তা মুখে ভেসে উঠবে না, তা কি আমরা সত্যিই জানি? ফেস পাউডারের বিভিন্নতা এবং এর সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে আমরা জানি কিন্তু অনেকেই সঠিকভাবে জানি না। অনেক ধরনের ফেস পাউডার আছে, তাই তাদের ব্যবহার ভিন্ন হয়। তাই আজ আমি জেনে নেব, বিভিন্ন ধরনের ফেস পাউডার কী কী এবং কোনটি আপনার জন্য উপযুক্ত!

[H2] ফেইস পাউডার কত রকমের হয়

ফেইস পাউডার কয়েক ধরণের হয়ে থাকে। রকমভেদটা জানা হয়ে যাক তাহলে-

  • কম্প্যাক্ট পাউডার,
  • প্রেসড পাউডার,
  • লুজ পাউডার,
  • বিবি পাউডার,
  • শিমার পাউডার,
  • ট্রান্সলুসেন্ট পাউডার।

কোনটা আপনার জন্য পারফেক্ট জানেন কি?

কোন পাউডার কীভাবে কাজ করে আর কোনটা আপনার ত্বকের সাথে মানানসই হবে, সেটা জেনে নেয়া যাক এবার।

কম্প্যাক্ট পাউডার

কমপ্যাক্ট পাউডার সবচেয়ে জনপ্রিয় মেকআপ ধাপগুলির মধ্যে একটি। এটা একটা পাউডার ফর্মে থাকে যা খুবই লাইট ওয়েট হয়। এইটা ফেসকে হালকা কভারেজ দেয়। ফাউন্ডেশন সেট করতে কমপ্যাক্ট পাউডার ব্যবহার করা হয়। এইক্ষেত্রে La Femme Compact Powder টাচআপের জন্য খুব ভাল কাজ করে। কম্প্যাক্ট পাউডার স্কিনটোন এর কালারের সাথে ম্যাচ করে ব্যবহার করতে হবে।

প্রেসড পাউডার

আমরা অনেকেই প্রেসড পাউডারকে কমপ্যাক্ট পাউডার মনে করি। কিন্তু দুটো একই কাজ করে না। প্রেসড পাউডার অনেক ক্ষেত্রে আধা কভারেজ দেয়। অনেক সময় আমরা মেকআপকে স্বাভাবিক দেখাতে ফাউন্ডেশন ব্যবহার করতে চাই না। তারপরে আমরা সহজেই প্রেসড পাউডার দিয়ে আধা কভারেজ বেস তৈরি করতে পারি। তাছাড়া লিকুইড ফাউন্ডেশন লাগানোর পর ভালোভাবে সেট আপ করতে ব্যবহার করতে পারেন। সেক্ষেত্রে প্রেসড পাউডার খুব ভালো ফিনিশ দেয়।

বিবি পাউডার

অনেকে ঝরঝরে ও পরিপাটি থাকতে পছন্দ করেন, আবার অনেক মানুষ কোনো না কোনোভাবে মানিয়ে নিতে পেরে খুশি হন! তাই ইনস্ট্যান্ট পারফেক্ট লুক পেতে অনেকেই বিবি পাউডার ব্যবহার করেন।

বিবি পাউডার হলো অনেকটা হালকা, সাধারণ পাউডারের মতো এবং আরও পরিষ্কার। এটি সহজেই হাতে বা পাউডার ব্রাশ দিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে। যেকোনো ধরনের ক্রিম ব্যবহার করে এই পাউডার দিয়ে সেট করতে পারেন। এটি মুখের অতিরিক্ত তৈলাক্ততা শুষে নেয় এবং ত্বককে ম্যাট ফিনিশ দেয়।

শিমার পাউডার

শিমার পাউডার ত্বকের হাইলাইট করা জায়গায় ফোকাস করতে ব্যবহার করা হয়। শিমার পাউডার মুখ চকচকে এবং হাইলাইট করতে সাহায্য করে। মেকআপ চেহারা গর্জিয়াস দেখায়।

ট্রান্সলুসেন্ট পাউডার

আমরা ট্রান্সলুসেন্ট পাউডারকে সেটিং পাউডার বা ফিনিশিং পাউডার হিসেবে জানি। সেটিং পাউডার মেকআপ করার পর মুখ থেকে অতিরিক্ত তেল শোষণ করে ফাউন্ডেশন ঠিক রাখতে সাহায্য করে। এর কোন রঙ নেই, আপনার ত্বক তার নিজস্ব রঙ প্রকাশ করবে। অনেকেই নিয়মিত ব্যবহারের জন্য বিবি ক্রিম এর সাথে ট্রান্সলুসেন্ট পাউডার পছন্দ করেন।

লুজ পাউডার

লুজ পাউডারের কথা শুনলেই সবার প্রথমে বেকিং এর কথা মাথায় আসে। চোখের নিচে, টি-জোন, কনট্যুর এলাকা লুজ পাউডার দিয়ে বেক করা হয়। বেকিংয়ের কারণে মুখ থেকে অতিরিক্ত তেল দূর হয় এবং মেকআপ কেইকি হয়ে ওঠে না।

তাহলে দেখলেন তো, সবগুলো পাউডারেরই স্পেশাল কিছু কাজ রয়েছে। একেকটার কাজ যেমন একেক রকম, ঠিক তেমনি এর ব্যবহারটাও আলাদা হয়ে থাকে। তাই পাউডারগুলো ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারলে মেকআপ হবে ফ্ললেস, স্মুথ এবং লং লাস্টিং। আপনার ত্বক এবং চাহিদা বুঝে পাউডার নির্বাচন করুন এবং পেয়ে যান পারফেক্ট লুক! ফেইস পাউডারের রকমভেদ আমরা আজ জেনে নিলাম! অথেনটিক মেকআপ প্রোডাক্ট কিনতে চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে পারেন সাজকন্যার উপর।

মেকআপ রিলেটেড যেকোনো প্রডাক্ট কিনতে ভিজিট করুন সাজকন্যা.কম – এ।

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    Main Menu